ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫, ১৬ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সাইফিয়া দরবার শরীফের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণ

সাজ্জাদুর রহমান
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৩১ বার পড়া হয়েছে

সাইফিয়া দরবার শরীফের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণ

লক্ষীপুরে সাইফিয়া দরবার শরীফের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণ করেন সাইফিয়া দরবার শরীফে পীর সাহেব কেবলা শাহ মোহাম্মদ আতায়ের রাব্বী সিদ্দিকী আস-সাইফি। লক্ষ্মীপুরে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে ধীরগতিতে পানি নামায় এখনো ডুবে আছে ঘর-বাড়ি। তবে ধীরগতিতে পানি কমায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি খুব একটা। বিভিন্ন সড়ক থেকে পানি কিছুটা নামলেও এখনো বাড়ি-ঘর তলিয়ে রয়েছে। ফলে দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের। জেলায় এখনো পানিবন্দী ১০ লাখ মানুষ।

এদিকে সদর উপজেলার কুশাখালীর জাউডগী, নলডগী, বসুদৌহিদা, চরশাহী, আন্ধারমানিক, রায়পুরের চরকাচিয়া ও চরঘাসিয়ার মতো দুর্গম কিছু এলাকায় এখনো ত্রাণ না পৌঁছানোয় সংকটে আছেন এসব জায়গার বাসিন্দারা। ভয়াবহ এ বন্যায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভার প্রতিটি এলাকার মানুষ এখনো পানিবন্দী। বিশেষ করে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের মান্দারী, চন্দ্রগঞ্জ, চরশাহী, দিঘলী, বাঙ্গাখাঁ, কুশাখালী, লাহারকান্দি, পাবর্তীনগর, বশিকপুর, হাজিরপাড়া ও উত্তর জয়পুরসহ ৫৮টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসব এলাকার বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সাইফিয়া দরবার শরীফে পীর সাহেব কেবলা শাহ মোহাম্মদ আতায়ের রাব্বী সিদ্দিকী আস-সাইফি। এসময় দুইশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাইফিয়া দরবার শরীফের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণ

আপডেট সময় : ০২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লক্ষীপুরে সাইফিয়া দরবার শরীফের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য বিতরণ করেন সাইফিয়া দরবার শরীফে পীর সাহেব কেবলা শাহ মোহাম্মদ আতায়ের রাব্বী সিদ্দিকী আস-সাইফি। লক্ষ্মীপুরে বন্যা কবলিত এলাকা থেকে ধীরগতিতে পানি নামায় এখনো ডুবে আছে ঘর-বাড়ি। তবে ধীরগতিতে পানি কমায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি খুব একটা। বিভিন্ন সড়ক থেকে পানি কিছুটা নামলেও এখনো বাড়ি-ঘর তলিয়ে রয়েছে। ফলে দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের। জেলায় এখনো পানিবন্দী ১০ লাখ মানুষ।

এদিকে সদর উপজেলার কুশাখালীর জাউডগী, নলডগী, বসুদৌহিদা, চরশাহী, আন্ধারমানিক, রায়পুরের চরকাচিয়া ও চরঘাসিয়ার মতো দুর্গম কিছু এলাকায় এখনো ত্রাণ না পৌঁছানোয় সংকটে আছেন এসব জায়গার বাসিন্দারা। ভয়াবহ এ বন্যায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভার প্রতিটি এলাকার মানুষ এখনো পানিবন্দী। বিশেষ করে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের মান্দারী, চন্দ্রগঞ্জ, চরশাহী, দিঘলী, বাঙ্গাখাঁ, কুশাখালী, লাহারকান্দি, পাবর্তীনগর, বশিকপুর, হাজিরপাড়া ও উত্তর জয়পুরসহ ৫৮টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসব এলাকার বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সাইফিয়া দরবার শরীফে পীর সাহেব কেবলা শাহ মোহাম্মদ আতায়ের রাব্বী সিদ্দিকী আস-সাইফি। এসময় দুইশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন তিনি।