নোয়াখালীতে যুবককে গলা কেটে হত্যা
নোয়াখালীতে যুবককে গলা কেটে হত্যা, আতংকে জনজীবন

- আপডেট সময় : ০২:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
মাসব্যাপী সরকার পতনের কঠোর আন্দোলনের ফলে অবশেষে ৫ এ আগস্ট বাংলাদেশের আকাশে নতুন করে উদিত হলো স্বাধীনতার পতাকা।

এক দিকে সরকারবিহীন বাংলাদেশ শুন্য, থানা পুলিশ কোড কাছারি বন্ধ, অন্যদিকে আনন্দ মিছিলে মত্ত উচ্ছুক জনতা, সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে প্রতিশোধের নেশায় হত্যা, হামলা, ভাঙচুর সহ অগ্নিসংযোগে ব্যস্ত। ঠিক তেমনি কিছু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডার চর ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজ চরা গ্রামে।

এক দিকে সরকারবিহীন বাংলাদেশ শুন্য, থানা পুলিশ কোড কাছারি বন্ধ, অন্যদিকে আনন্দ মিছিলে মত্ত উচ্ছুক জনতা, সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে প্রতিশোধের নেশায় হত্যা, হামলা, ভাঙচুর সহ অগ্নিসংযোগে ব্যস্ত। ঠিক তেমনি কিছু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডার চর ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজ চরা গ্রামে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৪ বছর পূর্বে গরু চোরকে ধরিয়ে দেওয়ায় প্রাণ হারাতে হয় সাবেক ইউপি সদস্য হোরণ মেম্বারকে, সেই হত্যাকে কেন্দ্র করে গত ৪ বছরে নিঃশেষ হয়ে যায় ৩টি তরতাজা প্রাণ।
সরকার পতনের দিন দিবাগত রাতে পূর্বের প্রতিশোধের নেশায় বর্বরতা নেমে আসে রহমান ও হোরণ মেম্বারের পুরো পরিবারে। সাজিবের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হোরণ মেম্বারের ভাই ইউসুফ ও তার স্ত্রী পুত্রকে গুলি ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে, এ সময় তারা হোরণ মেম্বার, জসিম ও মহিন উদ্দিনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ৭টি গরু, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ২ ভরি ওজনের স্বর্ণসহ ৩টি বাড়ি পুড়ে ছাই করে দেয়।
হামলা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি, পরের দিন মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সাজিব ও তার দলবল, রহমানকে প্রতিবেশী আলী আহাম্মদের বাড়ি থেকে টেনে হেঁচড়ে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়, সেখানে হারুন মোল্লার স্ত্রী শেফালী, ছেলে সাজিব ও তার সঙ্গীরা, রহমানকে এলোপাথাড়ি মারতে থাকে। বার বার প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও দয়া হয়নি নিষ্ঠুর শেফালী ও তার ছেলের মনে। পরে তারা রহমানকে বাড়ির পশ্চিম পাশে নিয়ে যায়, সেখানে সাজিব, রমিজ ও তার সঙ্গীরা রহমানকে জবাই করে বাম হাত ও পুরুষাঙ্গ কেটে বুকে গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ যেনো সেই একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানায়।
